জয় পায় ৬ উইকেটে।
দুরন্ত নীতীশ রানা। মাত্র ৩৬ বলে মারকাটারি ৮১ রানের ইনিংস খেললেন তিনি। সেইসঙ্গে দলকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেলেন শক্ত ভিতের ওপর। নীতীশের চওড়া ব্যাটে ভর করেই বড়ো রান তুলল রাজস্থান রয়্যালস। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রুতুরাজ। শুরুতে যশস্বী জয়সওয়ালকে ফিরিয়ে ভালো শুরুর ইঙ্গিতও দেয় চেন্নাই সুপার কিংস। কিন্তু নীতীশ মাঠে নামার পরই খেই হারায় চেন্নাই এক্সপ্রেস। শেষ পর্যন্ত রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে স্টাম্প আউট হন প্রাক্তন নাইট তারকা। সিএসকের হয়ে নুর আহমেদ, মাথিশা পাথিরানা এবং খলিল আহমেদ দু’টি করে উইকেট নেন। নীতীশ ছাড়া রিয়ান পরাগ ৩৭ রান করেন। রাজস্থানের লোয়ার অর্ডার এদিন পুরোপুরি ব্যর্থ। যার ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান তোলে রাজস্থান। গুয়াহাটির পিচে অবশ্য এই রানকে অনেক বলা চলে। চেন্নাইয়ের ইনিংসের শুরুটাও হয় রাজস্থানের মতোই। রাচি রবীন্দ্র প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন। রাহুল ত্রিপাঠী করেন ২৩। রুতুরাজ গায়কোয়াড় দলকে টানছিলেন অধিনায়কের মতোই। কিন্তু তাঁকে সঙ্গ দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত ৪৪ বলে ৬৩ রান করে আউট হন তিনি। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা একাই চার উইকেট নেন। ম্যাচ হাড্ডাহাড্ডির পর্যায়ে গেলেও, ধোনি পারেননি জেতাতে। ৬ উইকেটে ১৭৬ রানে শেষ হয় সিএসকের ইনিংস। জাদেজা ২২ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন। রাজস্থান জয় পায় ৬ উইকেটে।