৮ উইকেটে জয় পেল নাইটরা।
জয়ে ফিরল কলকাতা নাইট রাইডার্স। গুয়াহাটিতে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ৮ উইকেটে জয় পেল চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতের দল।
গতবারের চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই লজ্জাজনকভাবে হারতে হয়েছে আরসিবির কাছে। তাই ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে জিততে মরিয়া ছিল কেকেআর। কিন্তু সেই ম্যাচে নামার আগেই ধাক্কা খায় নাইটরা। চোটের কারণে এই ম্যাচে নামতে পারলেন না সুনীল নারিন। তাঁর পরিবর্তে দলে এসেছেন মইন আলি। টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন নাইট অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। টস করতে এসে রাহানে জানিয়েছেন, নারিন অসুস্থ। তাই ক্যারিবিয়ান তারকার পক্ষে বুধবারের ম্যাচ খেলা সম্ভব নয়। পরিবর্ত হিসাবে মইন আলিকে নামানো হয়েছে এদিনের ম্যাচে।
বল করার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে রাহানে জানিয়েছেন, যত সময় গড়াবে তত শিশিরের পরিমাণ বাড়বে। ফল ব্যাট করা আরও সহজ হবে। সেকারণেই টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন নাইট অধিনায়ক। প্রথম একাদশে একটি বদল করেছে রাজস্থানও। ফজলহক ফারুখির বদলে খেলেন ওয়ানিন্দু হাসরাঙ্গা। গুয়াহাটির মাঠে আবার বিশেষ নজির রয়েছে রাহানের। একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড রয়েছে নাইট অধিনায়কের।
এদিন শুরুতে দাপুটে ব্যাটিং শুরু করে রাজস্থান। দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ও সঞ্জু স্যামসন মারকুটে মেজাজে শুরু করেন। ১১ বলে ১৩ রান করে সঞ্জু ফিরলেও অন্যপ্রান্তে ২৪ বলে ২৯ রান করেন যশস্বী। তিন নম্বরে নেমে অধিনায়ক রিয়ান পরাগও (২৫) ভালো খেলেন। তবে মিডল অর্ডারে নীতিশ রানা (৮) ও হাসারাঙ্গা (৪) হতাশ করেন। একসময় মাত্র ৮২ রানে ৫ উইকেট হারায় রাজস্থান। তবে দলের অর্ধেক ব্যাটার ফিরে গেলেও হাল ধরার চেষ্টা করেন ধ্রুব জুরেল ও শুভম দুবে। তবে শুভম দুবেও ৯ রানে আউট হয়ে যান। ধ্রুব দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫১ রান তোলে রাজস্থান। কেকেআর বোলারদের মধ্যে সফল মইন আলি, বরুণ চক্রবর্তী ও বৈবভ আরোরা ২টি করে উইকেট পেয়েছেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মইন আলির (৫) দ্রুত উইকেট হারালেও, দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন কুইন্টন ডি’কর্ক। তিনি ৬১ বলে ৯৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। অধিনায়ক রাহানে ১৮ রান করেন। ডি’কর্ককে ভালো সঙ্গ দেন তরুণ রঘুবংশী। তিনি ২২ রান করেন। গুয়াহাটির স্লো উইকেটে যেখানে স্পিনাররা সাহায্য পাচ্ছিলেন, সেখানে বুদ্ধি করে ব্যাট করেন ডি’কর্ক ও রঘুবংশী। শেষ পর্যন্ত ১৭.৩ ওভারে ২ উইকেটে ১৫৩ রান তোলে নাইটরা।